ঢাকা সোমবার, ০২ মার্চ, ২০২৬,

রূপগঞ্জে মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে ছুড়িকাঘাতে হত্যা, ঘটনায় অভিযুক্তকে গনপিটুনিতে নিহত

পরিবর্তনের ডাক | জেলা প্রতিনিধি, নারায়নগঞ্জ

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

রূপগঞ্জে মোবাইল চুরিতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে ছুড়িকাঘাতে হত্যা, ঘটনায় অভিযুক্তকে গনপিটুনিতে  নিহত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মোবাইল চুরিকে কেন্দ্র করে  আমেনা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় অভিযুক্ত মেহেদী ইসলাম (৩২) কে এলাকাবাসী আটক করে গনপিটুনি দিয়ে হত্যা করে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেরাবোমোড় এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।  

 

নিহত গৃহবধূ আমেনা বেগম কেরাবো এলাকার বাবুল দেওয়ান এর স্ত্রী।  এছাড়া গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত  মেহেদী ইসলাম বিরাবো খালপাড় এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে। তিনি একজন টাইলস মিস্ত্রি।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরাবো এলাকার মুদি মনিহারি ব্যবসায়ী  বাবুল দেওয়ান নিজ বাড়িতে পাকা বিল্ডিং নির্মাণ করছিলেন। ওই বিল্ডিংয়ে  টাইলস নির্মাণের কাজ দেওয়া হয় বিরাবো খালপাড় এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে মেহেদী ইসলামকে। সেই থেকে  আমেনা বেগমদের বাড়িতে মেহেদী ইসলাম আসা-যাওয়া করতো। 

 

শুক্রবার বিকেলে বাবুল দেওয়ান এর স্ত্রী আমেনা বেগমের ব্যবহৃত  একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পথে মেহেদী ইসলামকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন আমেনা বেগম। এ সময় আমেনা বেগমের কাছ থেকে ছুটে যেতে হুরাহুরি করতে থাকে মেহেদী ।  এক পর্যায়ে তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আমেনা বেগমের গলায় ছুরিকাঘাত করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে।  

 

এ সময় আমেনা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ছটফট করতে শুরু করেন। আমেনা বেগমের আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে অভিযুক্ত মেহের ইসলামকে আটক করে ফেলে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী গনপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই মেহেদী  নিহত হন।  এদিকে আমেনা বেগমকে মুমূর্ষ অবস্থায় স্থানীয় জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত  চিকিৎসকরা তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। 

 

 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। 

 

ঘটনার সততা নিশ্চিত করে নারায়নগঞ্জ জেলার জেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বলেন, মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

এমএস

পরিবর্তনের ডাক

Link copied!